জ্যোতিষশাস্ত্রে কর্কট লগ্ন বা রাশিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আবেগপ্রবণ হিসেবে গণ্য করা হয়। চন্দ্রের এই রাশিতে জাতক-জাতিকারা যেমন মমতাময়ী হন, তেমনি দাম্পত্য জীবনের ক্ষেত্রে তাদের কিছু বিশেষ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়। দাম্পত্য সুখের বিচার মূলত জন্মকুণ্ডলীর সপ্তম ঘর থেকে করা হয়। কর্কট লগ্নের ক্ষেত্রে এই সপ্তম ঘরের অধিপতি হলেন কর্মফল দাতা শনি দেব । নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো কীভাবে কর্কট লগ্নের জাতক-জাতিকারা তাদের দাম্পত্য জীবনকে আরও সুখময় ও সমৃদ্ধ করতে পারেন। ১. কর্কট লগ্নের মনস্তত্ত্ব ও দাম্পত্যের প্রেক্ষাপট কর্কট একটি জলতত্ত্বের রাশি। এদের মন চন্দ্রের মতো পরিবর্তনশীল এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল। এদের প্রধান চাওয়া হলো মানসিক নিরাপত্তা। কিন্তু বিড়ম্বনা হলো, এদের সপ্তম ঘর (দাম্পত্যের ঘর) হলো মকর রাশি, যা অত্যন্ত বাস্তববাদী, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং পরিশ্রমী। এই বৈপরীত্যই কর্কট লগ্নের দাম্পত্য জীবনের মূল রহস্য। আবেগ বনাম বাস্তবতা: কর্কট লগ্ন চায় রোমান্টিকতা, কিন্তু তাদের জীবনসঙ্গী (মকর রাশি নির্দেশিত) হন অত্যন্ত প্র্যাকটিক্যাল বা বাস্তববাদী। এই পার্থক্যের কারণে শুরুতে অনেক সময় দূরত্ব তৈর...
জ্যোতিষশাস্ত্রে দ্বাদশ লগ্নের মধ্যে সিংহ লগ্ন অত্যন্ত প্রভাবশালী। এই লগ্নের অধিপতি স্বয়ং গ্রহরাজ সূর্য। আর এই রাজকীয় লগ্নের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী এবং শুভ ফলদায়ক গ্রহ হলো মঙ্গল । সিংহ লগ্নের জাতক-জাতিকাদের জীবনে সুখ, সম্পত্তি এবং ভাগ্যের চাবিকাঠি মঙ্গলের হাতে ন্যস্ত। ১. সিংহ লগ্নে মঙ্গলের অনন্য ভূমিকা সিংহ লগ্ন হলো একটি অগ্নিতত্ত্বের স্থির রাশি। এই লগ্নে মঙ্গল কেন 'যোগকারক' বা সর্বাধিক শুভ? তার কারণ হলো: চতুর্থ পতি (সুখ স্থান): মঙ্গল এই লগ্নের জন্য চতুর্থ ভাবের অধিপতি, যা গৃহ, ভূমি, যানবাহন, মাতা এবং মানসিক শান্তির বিচার করে। নবম পতি (ভাগ্য স্থান): মঙ্গল নবম ভাবেরও অধিপতি, যা ভাগ্য, ধর্ম, উচ্চশিক্ষা এবং পিতার কারক। কেন্দ্র-কোণ অধিপতি: জ্যোতিষশাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী, যখন একটি গ্রহ একই সাথে একটি কেন্দ্র (৪র্থ) এবং একটি কোণ (৯ম) স্থানের অধিপতি হয়, তখন সে 'রাজযোগ কারক' হয়ে ওঠে। অর্থাৎ, সিংহ লগ্নের জাতকের জীবনে জাগতিক সুখ এবং দৈব কৃপা—দুই-ই মঙ্গলের ওপর নির্ভরশীল। ২. মঙ্গলের শক্তি ও সিংহ লগ্নের ব্যক্তিত্ব মঙ্গল হলো সাহস, পরাক্রম এবং শৃঙ্খলার প্রতীক। সিংহ লগ্...